বিশেষ খবর



খাদ্যাভ্যাসে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হৃাস-বৃদ্ধি

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা

গড়পড়তা ৪৫ বছর থেকে মানুষের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি ৪৯ বছর আর নারীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের একদল গবেষক পুরুষ ও নারীদের মস্তিষ্কের ওপর এ গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন- উল্লিখিত বয়স সীমার মধ্যে পৌঁছানোর পর ৩.৬ শতাংশ হারে ব্রেনের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে।

৪৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী নারী-পুরুষের ওপর ১০ বছর ধরে এ গবেষণা চালানো হয়। ব্রিটেনের আলঝেইমারস সোসাইটির উদ্যোগে পরিচালিত এ গবেষণার ফলে দেখা যায়, আগে ব্রেনের বোধশক্তি ৬০ বছরের পর থেকে হ্রাস পেত। কিন্তু নতুন গবেষণায় প্রতীয়মান হয়- নারী-পুরুষদের মধ্যবয়স থেকেই ব্রেনের স্মৃতিশক্তি, দৃশ্য ও শব্দ ধারণ এবং উদ্ভাবনী শক্তি হ্রাস পেতে থাকে।

মানসিক বৈকল্যের চিকিৎসা করতে গিয়ে গবেষকরা মস্তিষ্ক নিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেন। এক্ষেত্রে ব্রেনের শ্রবণশক্তি, দৃশ্য ধারণ, স্মৃতি ও শব্দ সংরক্ষণের ক্ষমতা -এ বিষয়গুলোর ওপর জোর দেয়া হয়। তবে মধ্যবয়সি ও বৃদ্ধদের বোধশক্তি ক্রমেই লোপ পেতে থাকে; সে তুলনায় শব্দ ধারণ ক্ষমতা তেমন কমে না। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, সমাজব্যবস্থা এবং শিক্ষা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখে। ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক অবস্থান ভালো হলে তার মস্তিষ্কের উৎকর্ষ, দক্ষতা ও অন্যান্য গুণাগুণের মাত্রা সাধারণের চেয়ে বেশি হতে পারে।

মস্তিষ্কের খাবার

মানুষের মস্তিষ্ক সচল রাখতে অবিরাম জ্বালানি প্রয়োজন। আর এজন্য দিনে দু’বার বা তিনবার বড় ধরনের খাবারের বদলে বারবার অল্প করে খাবার খাওয়া উচিত। বিশেষত পুষ্টিকর খাদ্য। যেমন- তাজা ফলমূল, শাক-সব্জি, খাদ্যশস্য, শিম, মুরগির মাংস এবং মাছ। পানি পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণে। মস্তিষ্কের কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে পানির প্রয়োজন হয়। মানসিক চাপে মস্তিষ্ক পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই ক্লান্ত অনুভব করলে, দুশ্চিন্তায় থাকলে কিংবা চাপে থাকলেই অতিরিক্ত পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস সীমিত পরিমাণে পান করতে হবে। কারণ এসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। কেবল একটি নির্দিষ্ট খাবারে সীমাবদ্ধ থাকতে নেই। শরীরের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি। স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের দৈনন্দিন কাজ চালাতেও প্রয়োজন হরেক রকম পুষ্টি। আর এ কারণেই শরীরে বিভিন্ন ধরনের খাবার প্রয়োজন হয়। পুষ্টির জন্য খাদ্যই হলো চমৎকার উৎস।

সঠিক খাবারে চিরযুবা মস্তিষ্ক

ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার ও মাছ মানুষের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। পক্ষান্তরে তেল-চর্বিজাতীয় ফাস্ট ফুড মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। সম্প্রতি এক গবেষণাশেষে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের মধ্যে যাদের রক্তে ভিটামিন ও উপকারী চর্বি ওমেগা ৩ এর পরিমাণ বেশি, তাদের মস্তিষ্ক কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের মানসিক দক্ষতাও ভালো। অন্যদিকে যাদের শরীরে ফাস্ট ফুডে থাকা চর্বির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, তারা মানসিক দক্ষতার পরীক্ষায় খারাপ করেছে। অর্থাৎ তাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি আলঝেইমারের পর্যায়ে পড়ে, যাতে তাদের স্মরণশক্তি লোপ পায়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন- আলঝেইমার থেকে রেহাই পাওয়ার সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হলো প্রচুর পরিমাণে ফল ও সব্জির পাশাপাশি সুষম খাবার খাওয়া, ধূমপান না করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং বøাড প্রেসার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা।

যে খাবারে মগজ খোলে

শরীরকে শক্তিশালী ও সুস্থ রাখার জন্য যেমনি ভিটামিন ও মিনারেল প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুগুলোকেও সচল রাখার জন্য এসব খাবারের প্রয়োজন। গবেষকরা তাই এসব খাবারের নাম দিয়েছেন ব্রেন ফুড, যা নিম্নরূপ। 

ভিটামিন বি ১ঃ সুস্থ মস্তিষ্ক ও স্নায়ু কোষের জন্য এই ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য এবং খাদ্যশস্য থেকে তৈরি খাবার যেমন রুটি, ভাত ও পেস্তায় এই ভিটামিন থাকে।

ভিটামিন বি ৫ঃ এটি কো-এনজাইম গঠন করে, যা স্নায়ুর উদ্দীপনা প্রেরণে সাহায্য করে। এই ভিটামিন পাওয়া যাবে মাংস, মাছ, সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য, শিম, মটরশুঁটি, দুধ, শাক-সব্জি ও ফল থেকে।

ভিটামিন বি ৬ঃ এটি ট্রিপটোফ্যানকে সেরোটোনিনে রূপান্তর করে। সেরোটোনিন হলো মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান। এই ভিটামিন পাওয়া যায় মুরগির মাংস, মাছ, লিভার, কিডনি, খাদ্যশস্য, বাদাম ও শিম থেকে। 

ভিটামিন বি ১২ঃ এটি রক্তের লোহিত কণিকার পরিপক্কতায় সাহায্য করে, প্রোটিন গঠনে সাহায্য করে এবং স্নায়ুকোষগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ করে। ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার থেকে এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

ফলিক এসিডঃ মস্তিষ্কের ফ্যাটি এসিডের বিপাক ক্রিয়ায় এই ভিটামিন অপরিহার্য। ফলিক এসিড বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে পাওয়া যায়। যেমন- কলা, কমলার রস, খাদ্যশস্য থেকে প্রস্তুতকৃত খাবার, লেবু, স্ট্রবেরি, তরমুজ, শাকযুক্ত সব্জি, শিম, মটরশুঁটি ইত্যাদি। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ফলিক এসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফলিক এসিডের মাত্রা কম থাকলে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের স্নায়ুজনিত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ম্যাগনেশিয়ামঃ এটি পাওয়া যায় সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য, শিম বা মটরজাতীয় বীজ, বাদাম এবং সবুজ শাক-সব্জিতে। 

পটাশিয়ামঃ এটি পাওয়া যায় কলা, খরমুজ, লেবু, কমলা, শুকনো খেজুর বা আলুবোখারা, স্ট্রবেরি, আলু, মাছ, মাংস প্রভৃতি খাবারে। 

ক্যালসিয়ামঃ এটি পাওয়া যায় দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য যেমন পনির ও দই, শিম, ফুলকপি, বিট, কাঁটাযুক্ত মাছ ইত্যাদি খাবারে। 

মস্তিষ্কের চেতনায় ওমেগা

মাছে-ভাতে বাঙালি, শৌর্য-বীর্যে বাঙালি। পুষ্টি বা স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে মাছের তুলনা ভার। চিকিৎসা বিজ্ঞানেও দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় মাছ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে -যারা নিয়মিত মাছ খান, তাদের মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বেশি থাকে; যা বয়স্কদের মতিভ্রষ্ট রোগ থেকে রক্ষা করে। মাছে রক্ষিত ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ খাদ্যপুষ্টি শরীরকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করে।

ব্রিটেনের নর্থ উমব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ গবেষক ডাঃ ফিলিপ্পা জ্যাকসন বলেন, ওমেগা-৩ নামে মাছের তেলজাতীয় উপাদান মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে মস্তিষ্কের চেতনা বা বোধশক্তিকে উজ্জীবিত রাখে। বেশি বয়সে মানুষকে মতিভ্রষ্ট রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে এ মাছ। যারা মানসিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের জন্য মাছের ওমেগা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান। চর্বিমুক্ত মাছ রক্তে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে কমে মৃত্যুঝুঁকি। সপ্তাহে অন্তত দু’বার মাছ খেলে আয়ু বেড়ে যাবে দুই বছর -এমনটি বলছেন গবেষকরা।

লবণে মস্তিষ্ক বিকৃতি, তাই অতিরিক্ত লবণ খাবেন না

লবণের উপকারিতার পাশাপাশি মারাত্মক ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বিশেষত কাঁচা লবণে স্বাস্থ্যঝুঁকি প্রবল। এমনকি লবণের প্রভাবে কখনো কখনো বন্ধ হয়ে যেতে পারে মস্তিষ্কের জানালা।

ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছায় যারা অতিরিক্ত লবণ খান, তাদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা নিয়ে এসেছেন কানাডার চিকিৎসকরা। তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত লবণ মানুষের মস্তিষ্ক ও হার্টকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর সঙ্গে মস্তিষ্ক বিকৃতির রোগ ডেমেনসিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক ড. আলেকজান্ড্রা ফিকু জানান- যারা দিনে অন্তত এক চা চামচ পরিমাণ লবণ গ্রহণ করে, একটা বয়সে এসে তাদের অধিকাংশের মস্তিষ্কেই বিভ্রম বা বিকৃতি ঘটে। একপর্যায়ে তারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তিন বছর ধরে আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী ৬৭ থেকে ৮৪ বছর বয়সী ১ হাজার ২৬২ জন নারী-পুরুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা এ তথ্য দেন।

গবেষকরা জানান- অতিরিক্ত লবণ শুধু মস্তিষ্কেরই বিকৃতি ঘটায় না, মানুষের হৃদযন্ত্রকেও দুর্বল করে দেয়। এ ধরনের ব্যক্তির হার্ট এটাকের ঝুঁকিও থাকে বেশি। অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী গবেষণায় দেখেছেন- লবণ খাওয়া বা মাত্রাতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এক ধরনের নেশা। আর তা অন্য যেকোনো ক্ষতিকর নেশার মতোই আসক্তি তৈরি করে।

যুক্তরাজ্যের বিশ্ব ক্যান্সার গবেষণা তহবিলের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিনের খাবার থেকে যত বেশি লবন কমানো হবে, ক্যান্সারসহ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি তত বেশি কমবে; পাশাপাশি আয়ু বাড়বে। গবেষকরা দাবি করছেন- লোকজন যদি কম লবন খাওয়ার নির্দেশনা মেনে চলতে পারে, তবে পাকস্থলিতে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা একেবারেই কমে আসবে। তাই গবেষকরা দৈনিক ৬ গ্রামের অধিক লবন গ্রহণ না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।

তাই অতিরিক্ত লবণ খাবেন না, কাঁচা লবণতো নয়ই। সুস্থতা চাইলে খাবার টেবিল থেকে আজই লবণের বাটি (Table salt) সরিয়ে দিন। এর বদলে খাদ্যে পটাশিয়ামের পরিমাণ বাড়ান, এতে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে। কলা, শিমজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। লবন ও পটাশিয়াম শরীরে বিপরীতধর্মী কাজ করে। তাই খাবারে লবণ কমানো আর পটাশিয়াম বাড়ানো একইসাথে হলে তা শরীরে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মানসিক চাপ কমাতে খাদ্য

প্রত্যেক মানুষেরই কমবেশি মানসিক চাপ আছে। তবে কোনো ব্যক্তি দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার মানসিক চাপে ভুগলে তার স্বাস্থ্যের অপূরণীয় ক্ষতি হয়। যা শরীরে ডায়াবেটিস, স্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও পেটের পীড়া জন্ম দিয়ে থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীরে ট্রেস-হরমোন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর হরমোন শরীরের ওজন বাড়ায় এবং মানুষকে মনমরা করে ফেলে। এ অবস্থা থেকে রেহাই পেতে হলে আঁশযুক্ত দানাদার খাবার, সবুজ সব্জি, শিমজাতীয় আনাজপাতি, কলা, রসুন, পেঁয়াজ, কমলালেবু এবং জলপাইজাতীয় ফল বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে শরীরের বাড়তি মেদ দ্রæত ঝরে যায়। তবে যারা নিম্ন রক্তচাপ ও শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন তাদের দেহে বাড়তি শক্তির জন্য বেশি করে মাছ, মাংস ও ডিম খেতে হবে।

প্রিয় পাঠক, নিজের সাথে নিজে কথা বলে কঠিন রোগও যে ভালো করা যায় -এ বিষয়ে আমার মায়ের ওপর প্রয়োগকৃত পদ্ধতির আলোচনায় স্বাস্থ্য বিষয়ক আমার বই Be Your own Doctor এর লেখা শুরু। অর্থাৎ রোগমুক্তি ও সুস্থ থাকার জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক চর্চা ও কৌশলই এ বইয়ের মূল উপজীব্য বিষয়। এসব চর্চায় অতীব সহজ ও তাৎক্ষণিক কার্যকর দু’টি কৌশলের একটি হচ্ছে Pretend বা ভান করা এবং অন্যটি হচ্ছে Autosuggestion বা নিজের সাথে নিজে কথা বলা। 

মানবদেহে কঠিন রোগসমূহের উৎপত্তি যে অস্থিরতা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, ক্লান্তি ও হতাশা থেকে, সে উৎকণ্ঠা বা হতাশা একেবারে ঝেড়ে ফেলা কিন্তু ঔষধে সম্ভব নয়। ঔষধ পারে রোগের সাময়িক উপশম করতে অথবা রোগকে অবদমিত করে রাখতে। দার্শনিক এরিস্টটলের ভাষায়- ডাক্তার রোগ দমন করে, আর প্রকৃতি তা ভালো করে দেয়। তাই রোগ ঝেড়ে ফেলতে হলে প্রাকৃতিক চর্চায় আসতে হবে, Pretend বা ভান করতে হবে অথবা নিজকে Autosuggestion দিতে হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীনভাবে সমূলে রোগ উৎপাটনের অন্যতম পথ এটি।



লেখকঃ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক

ফোনঃ ০২-৪৭১২২৪৬৩, ০২-৯৫১৫০৯৯

web: www.helal.net.bd

e-mail: m7helal@yahoo.com


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ