বিশেষ খবর

মুহিত ভাইকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাই -আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী

ক্যাম্পাস ডেস্ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন
img

সম্প্রতি ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাংবাদিক, ভাষাসৈনিক, লেখক, কলামিস্ট, বাঙালির ইতিহাসের সূর্যসন্তান আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে এই জীবন্ত কিংবদন্তী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুনঃ প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী মুহিত ভাইকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চাই।
সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এছাড়াও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ আখতারুজ্জামান, প্রো-উপাচার্য ড. মুহম্মদ সামাদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানীসহ বরেণ্য লেখক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী তাঁর বক্তৃতায় অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক, সরকারের সাবেক সচিব খন্দকার রাশেদুল হকসহ আয়োজক এবং অন্যান্যদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত এর সাথে তাঁর অন্তরঙ্গতার অনেক গল্প; বিশেষ করে অর্থমন্ত্রীর কথায় কথায় ‘রাবিশ’ বলাটা নিয়ে কৌতুক করে তিনি বলেন, ছাত্রজীবনেও মুহিত ভাইয়ের এই স্বভাব ছিলো। তিনি কপট আক্ষেপ করে বলেন, আমার গানই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে, আমার গানই আমাকে অতিক্রম করে গিয়েছে। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন- কাজী নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়, কিন্তু তিনি যে প্রেমের কবিতা ও গান লিখেছেন, তার কথা বলা হয় না। তেমনি আমি যে এতো সাহিত্য রচনা করলাম, তার বদলে গানের কথাই সবাই বলে।
দেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা একটা ক্রান্তিকাল পার করছি। ৪৭ বছর আগে যে যুদ্ধ হয়েছিল, সেই সংগ্রাম আজও চলমান। যুদ্ধ এখনও অসমাপ্ত। রাজনৈতিকভাবে আমরা এখনো জয়ী হইনি। বর্তমান সরকার একটি গণতান্ত্রিক জোট। গণতান্ত্রিক জোট জিতলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা উজ্জীবিত থাকবে। নেহেরুর ‘কামরাজ পরিকল্পনা’র উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে সংস্কার ও সংশোধন করে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে। শক্তিশালী বিরোধী দলও দরকার হবে। তবেই দেশে গণতন্ত্র বজায় থাকবে। নিজের বয়সের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমার বয়স এখন ৮৬। এই শেষ বয়সে চাই আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসুক। শেখ হাসিনা পুনরায় প্রধানমন্ত্রী এবং মুহিত ভাই প্রেসিডেন্ট হবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা।
সরকারের সাবেক সচিব ও গেটকো’র উপদেষ্টা খন্দকার রাশেদুল হকের সঞ্চালনায় মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতাদের উপস্থিতিতে চলতে থাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এর মহাসচিব ড. এম হেলাল সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধিত করেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকে। এসময় তুমুল করতালিতে অডিটরিয়াম মুখর হয়ে ওঠে। এরপর আয়োজক প্রতিষ্ঠান বীকন গ্রুপ এর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান এবাদুল করিম সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পন করেন।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন প্রো-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ সামাদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বরেণ্য শিক্ষাবিদ জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সূচনা বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকা এসেছেন। লন্ডনে থাকলেও তাঁর মনটা পড়ে থাকে বাংলাদেশে। তাই সময় সুযোগ পেলেই দেশে চলে আসেন তিনি। আমরা তাঁর দীর্ঘজীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর বয়স আর অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত এর বয়স প্রায় কাছাকাছি। তাঁর প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক বোধসমৃদ্ধ কলাম পড়ে নির্দেশ পেয়ে যাই আমাদের কী করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, জীবন্ত কিংবদন্তী আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী শারীরিকভাবে অসুস্থ হলেও মনের টানে, প্রাণের টানে কষ্ট করে দেশে আসেন নিয়মিত। তার লেখা কলাম এখনও অনেক রাজনৈতিক দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। তাঁর লেখনী আরও দীর্ঘকাল সচল থাকুক, এই কামনাই করি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আখতারুজ্জামান জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকে আখ্যায়িত করে বলেন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী এদেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এবং দেশ ও জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরী যখন ঢাকায় আসেন, তখন একটা উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যামসুন্দর সিকদার বলেন, গাফ্ফার চৌধুরী নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। এদেশের ইতিহাসের সাথে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।
জাতীয় সংসদ সদস্য সানজিদা খানম বলেন, তাঁর কলাম সমৃদ্ধ ও ঋজু। লেখায় নেই কোনো জেন্ডার বৈষম্য। এসময় সকল নারীদের পক্ষ থেকে তিনি গাফ্ফার চৌধুরীকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। জাতীয় সংসদ সদস্য কাজী রোজী সংবর্ধনা সভার চমৎকার আয়োজনের প্রশংসা করেন। তিনি আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকে নিয়ে আবার বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। জাতির বাতিঘর হিসেবে আখ্যায়িত এই মানুষটির লেখনী আরও দীর্ঘকাল সচল থাকুক- এই তার আশাবাদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ -এই গানের মাধ্যমে তিনি শতাব্দীর পর শতাব্দী বেঁচে থাকবেন। যতদিন বাঙালি জাতি থাকবে, ততদিন তাঁর গান থাকবে আর তাঁর গানের মাধ্যমেই তিনি শত সহস্র বছর বেঁচে থাকবেন।
নারী সাংবাদিক নাসিমা আরা মিনু সভায় মহান কিংবদন্তীর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারিতে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ এই গান শুনলে সকল বাঙালির হৃদয় দেশাত্মবোধে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সবাই তখন দীপ্ত জাগরণে অন্যরকম উদ্দীপিত হয়। এই গানের মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর সকল লেখাকে ছাপিয়ে গেছেন।
সাংবাদিক স্বপন সাহা বলেন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী একুশের পরিচয় বহন করেন। বাঙালি জাতির তিনি অমর পরিচয়। বাঙালি জাতির কাছে একুশে গানের মাধ্যমে তিনি চিরজাগরুক হয়ে থাকবেন। স্বরাষ্ট্র সচিব মোস্তফা কামাল এই অমর বাঙালির সৃষ্টি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহান একুশের সাথে তাঁর নাম চিরদিন মিশে থাকবে। তাঁর মৃত্যু নেই, তাঁর গানের মৃত্যু নেই।
বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর অবদান একজন শব্দ সৈনিকের। সে সৈনিকের শব্দগুলো গান হয়ে বাঙালি জাতির জন্য অনিবার্য হয়ে গেছে। এই গানের আবেদন চিরস্থায়ী। অভিনয় শিল্পী রোকেয়া প্রাচী একুশে ফ্রেবুয়ারির অমর গান শুনে সাহসী হয়ে উঠেন বলে তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ৫২ থেকে ৭১ এর ইতিহাসের পাতায় অমর আরেক নাম আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। তাঁর গানের শক্তি দিয়ে আগামীর দিনগুলোকে জয় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি ফরিদা ইয়াসমিন, তাঁর গান শুনলে মনে আনন্দের জোয়ার আসে। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে তিনি আছেন। একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই তাঁর গান বাঙালির হৃদয়ে বেজে উঠে, জেগে উঠে বাঙালি। এভাবেই শত সহস্র বছর ধরে তাঁর গান বাঙালি বুকে ধারণ করে রাখবে। বিএসএমএমইউ’র সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. কামরুল ইসলাম গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দুঃসময়ে তাঁর লেখা শক্তি জোগায়, অন্ধকারে পথ দেখায়। তাঁর লেখনীর শক্তি বড় শক্তি, সেই শক্তি শুভবুদ্ধির মুক্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভণর আহম্মদ জামাল তাঁর লেখায় দুঃসময়ের নির্দেশনা পান বলে জানান। সমস্ত অপশক্তির বিরুদ্ধে গাফ্ফার চৌধুরীর ক্ষুরধার লেখনী এখনো সচল আছে, তা আরো দীর্ঘকাল ধরে অব্যাহত থাকুক -এই কামনাই তিনি করেন। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মনজুরুল আহসান বলেন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর সাথে আমার পরিচয় অনেক পরে, কিন্তু নাম শুনেছি অনেক আগেই। দৈনিক যুগান্তরে আমার লেখার সমালোচনা করে তিনি লিখেছেন অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনা। তাঁর কবিতা অমর কবিতা, অমর তাঁর গান। অবিস্মরণীয় মহান একুশের রক্তে রাঙানো গানের মাধ্যমে চিরদিন বাঙালিদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন তিনি।
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, তিনি সংবর্ধিত হয়েছেন বলে আমি আনন্দিত। এর চেয়ে অনেক বেশি তাঁর প্রাপ্য। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তী, তিনি অমর। এখনো তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন জাতিকে। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, গৌরবের ইতিহাসের সাথে অমর হয়ে থাকবেন তিনি। বর্তমানের কর্তব্যকে লেখার মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেন। তিনি ইতিহাসের মহানায়ক। ভবিষ্যৎ নির্মানের সিপাহসালার।
রাজনীতিবিদ জিএম কাদের বলেন, লেখার মাধ্যমেই তাঁর সাথে পরিচয়। তাঁর লেখা জাতির জন্য প্রাণদায়িনী। বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল লোহানী গাফ্ফার চৌধুরীকে দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা অভিহিত করে বলেন, আমরা একসাথে সাংবাদিকতা করেছি। তিনি একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন সাংবাদিক এবং কলামিস্ট। তার গানের মধ্যে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারির মূলমন্ত্র। হাজার বছর এই গান বেঁচে থাকবে। বেঁচে থাকবেন তিনিও।
সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো গানটি হৃদয়ে বেজে ওঠে। মনে পড়ে যায় এর রচয়িতার কথা। মন আনন্দে নেচে ওঠে। একুশে ফেব্রুয়ারি আর তাঁর গান এখন সমার্থক। অনুষ্ঠানের আয়োজক সংস্থা বীকন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবাদুল করিম জানান, তিনি আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর একজন স্নেহভাজন। হিমালয়ের মতো বিশাল তিনি। তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই তিনি চিরদিন বেঁচে থাকবেন।
দৈনিক সমকালের প্রকাশক ও কর্ণধার আব্দুল কালাম আজাদ বলেন, যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন ততদিন তিনি একটা বাতিঘরের মতো আমাদের আলোর পথ প্রদর্শন করবেন। রাতের আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা, তারপরও তাঁর উজ্জ্বল আলো দেখে নাবিক সর্তক হতে পারবে। জাতি এই আলোর বাতিঘরের কথা চিরদিন মনে রাখবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আব্দুল মাল আবদুল মুহিত আগত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সমবেত হয়েছি এমন একজন গুণীব্যক্তিকে সংবর্ধনা প্রদানের জন্য, যিনি আসলেই একজন কিংবদন্তীতুল্য মানুষ। তবে একুশে ফেব্রুয়ারির অমর গান লিখে তিনি যে অন্যন্য উচ্চতায় উঠে গেছেন, সেখানে পৌঁছানোর সাধ্য কারো নেই -এটাই আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর অনন্যতা।
এরপর কিভাবে তিনি, সাংবাদিক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, কবি সৈয়দ শামসুল হক ও ঔপন্যাসিক জহির রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে পড়াশোনা করেছেন, ৫২’এর ভাষা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগেই গাফ্ফার চৌধুরী লেখালেখি করে পরিচিতি লাভ করেছেন, এসব দেখে তাঁর ঈর্ষার কথাও জানালেন মুহিত। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মহাকালজয়ী আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীকে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ