বিশেষ খবর

ঢাবি একাউন্টিং এলামনাই এজিএম

ক্যাম্পাস ডেস্ক সংবাদ
img

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট স্বদেশ সাহা বলেন, আমরা ভাগ্যাহত মানুষের উন্নয়নে কাজ করবো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাউন্টিং এলামনাই এর ১৭তম এজিএম গত ২৬ জুলাই ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের সদ্যবিদায়ী সভাপতি কামরুল ইসলাম এফসিএ। ঐতিহ্যে ভাস্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ততোধিক গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ। আকর্ষণীয় এ বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অঙ্গনে ততোধিক গুরুত্ববহ দায়িত্ব পালন করছেন; যাঁদের রয়েছে বিপুল খ্যাতি ও সাফল্য। একাউন্টিংয়ের এসকল প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব বা দিকপালদের নিয়ে গঠিত একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১৮-’২০ গঠিত হয়। দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দের নাম ঘোষণা করেন। ২৮ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বদেশ রঞ্জন সাহা এফসিএ; সহ-সভাপতি আহমেদ ইউসুফ আব্বাস, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এফসিএ, দেওয়ান ওয়াসিকুল আলম মিল্টন; সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ; যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, এ রাজ্জাক খান রানা; কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম হাওলাদার; সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান শাহেদ প্রমুখ নির্বাচিত হন।
অনুষ্ঠানে এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট ড. হারুনুর রশিদ প্রধান অতিথি মুসলিম চৌধুরীকে এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্য করার প্রস্তাব করলে উপস্থিত অডিয়েন্সের তুমুল করতালির মধ্য দিয়ে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এ সময়ে মুসলিম চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন আমাকে তাঁদের সদস্য করে বিরল সম্মান প্রদর্শন করায় আমি আনন্দিত, গর্বিত এবং অভিভূত। আমি এই এলামনাই এসোসিয়েশনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। পাবলিক সেক্টর একাউন্টিংকে আরও দক্ষ করে তুলতে এসোসিয়েশনকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন সাহা এফসিএ তাঁকে সভাপতি নির্বাচিত করায় সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন আমরা ভাগ্যাহত মানুষের উন্নয়নে কাজ করব। ‘আমি’ বলে এখানে একক কিছু নেই; এখানে সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের একটি স্থায়ী নিজস্ব ভবন নির্মাণ করতে সকলকে উদ্যোগী হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এসোসিয়েশনের মেম্বার বাড়াতে হবে। সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বিদায়ী কমিটির সভাপতি কামরুল ইসলাম এফসিএ এবং সাধারণ সম্পাদক শীষ হায়দার চৌধুরীসহ সবাইকে বিগত দিনের সাফল্যজনক কর্মকান্ডের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন ঢাবি একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশন আমাদের প্রাণের সংগঠন। এই সংগঠনের জন্য আমাদেরকে আরও নিবেদিত হতে হবে। আমাদের সংগঠনের পরিধি সারা দেশে এবং বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।
এসোসিয়েশনের ফাউন্ডার-প্রেসিডেন্ট, একাউন্টিং পরিবারের প্রাণপুরুষ প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে মাঝেমধ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন স্বদেশ রঞ্জন সাহা একজন দক্ষ-যোগ্য ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। তাঁর দক্ষ ও ডায়নামিক নেতৃত্বে এসোসিয়েশন অবশ্যই অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবে। তিনি এসোসিয়েশনের কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ