বিশেষ খবর

ক্যাম্পাস পরিচালিত শিক্ষানবিশ কর্মসূচির সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন

ক্যাম্পাস ডেস্ক ক্যাম্পাস’র অনুষ্ঠান

১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ক্যাম্পাস পরিচালিত শিক্ষানবিশ কর্মসূচির সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ২০১৭ সালের শিক্ষানবিশ কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকারী দক্ষ লিডার, কো-লিডার, বেস্ট পার্টিসিপেন্ট এবং সফল শিক্ষানবিশদেরকে সনদ ও এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার কর্মযোগী, ডায়নামিক, সৃজনশীল, নিষ্ঠাবান, চৌকস সরকারি কর্মকর্তা; শিক্ষা-উন্নয়ন ও সমাজসেবায় নিবেদিতপ্রাণ, বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ সোহরাব হোসাইন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এর মহাসচিব ড. এম হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এর চেয়ারম্যান স্থপতি এমএইচএম শাহজাহান তরু; সরকারের যুগ্মসচিব জাকির হোসেন; সরকারের সাবেক যুগ্মসচিব ও গ্রন্থকার হাজেরা নজরুল; সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফ্যামিলি লাভ মুভমেন্টের চেয়ারপার্সন মিসেস তাজকেরা খায়ের; লালবাগ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম; ক্যাম্পাস’র ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর রিসোর্স পারসন এডভোকেট এম জি কিবরিয়া; কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোস্তফা প্রমুখ।
উচ্ছল-উজ্জ্বল আলোকিত জাতি গঠনের উদ্দেশ্যে এবং ছাত্র-যুবকদেরকে দেশ উন্নয়নে সুসংগঠিতকরণে ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে শিক্ষানবিশ কর্মসূচি। ছাত্র-যুবকদের মাঝে শৃঙ্খলা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং জ্ঞানার্জনের অবসরে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করাই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষা জীবনেই ছাত্র-যুবকরা অফিস-আচরণ; শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ; নিয়মানুবর্তিতা ও ন্যায়নিষ্ঠা; আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা; কথায় ও কাজে দ্রুততা; দলভিত্তিক কার্যক্রম; অফিস-আদালত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ; জড়তা-অলসতা ও ক্যালাসনেস দূর; শেয়ারিং-কেয়ারিং ও এডজাস্টমেন্ট ক্ষমতা অর্জন; সম্পাদিত কাজের রিপোর্টিং ও মূল্যায়ন; সৃজনশীলতা ও স্মার্টনেস বৃদ্ধি ইত্যাকার নানা বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। তাছাড়া দৈনিক পকেটমানি পেয়ে ছাত্র-তরুণ বয়সেই তারা নিজেদের করছে স্বাবলম্বী।
অতিথি বরণ
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে পুষ্পমাল্যে বরণ করে নেয়া হয় এবং উপহার হিসেবে অর্পণ করা হয় ক্যাম্পাস জ্ঞানমেলা সিরিজে প্রকাশিত সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্মোন্নয়ন ও জাতি জাগরণমূলক বিভিন্ন বই; ক্যম্পাস’র নিজস্ব গবেষণায় প্রকাশিত ২টি মডেল এবং বিভিন্ন সিডির সেট ও স্যুভেনির। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সোহরাব হোসাইন একজন প্রোজ্জ্বল প্রতিভা; জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং দেশ উন্নয়ন ও সমাজ প্রগতির পুরোধা; বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে যিনি নিরলস কাজ করে চলেছেন। বহুমুখী প্রতিভাদীপ্ত কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে যিনি সমাজ প্রগতিতে অবারিত অবদান রেখে চলেছেন। এই সুমহান মর্যাদার ব্যক্তিত্বকে ক্যাম্পাস’র সম্মাননা ক্রেস্ট অর্পণের মাধ্যমে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম হেলাল।
মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন
শিক্ষানবিশদের সমাজসেবা কার্যক্রমের আলোকোজ্জ্বল ফল্গুধারা সর্বস্তরে বিকশিত করতে এবং শিক্ষানবিশ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা যেন স্মার্ট এন্ড গ্লোবাল ইয়ুথ জেনারেশনরূপে দেশ ও জাতির কর্ণধার হিসেবে বাংলা মায়ের কালিমা ও জাতির অন্ধকার দূরীকরণে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, সে কামনায় প্রধান অতিথি আশাজাগানিয়া মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন।
বেস্টদের পুরস্কার ও সফলদের সনদ বিতরণ
এ পর্বে শিক্ষানবিশ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বেস্ট লিডার, কো-লিডার, বেস্ট পার্টিসিপেন্ট এবং সফল শিক্ষানবিশদের সার্টিফিকেট ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। বেস্ট লিডার এর এওয়ার্ড লাভ করেন মোঃ কামাল হোসেন; বেস্ট পার্টিসিপেন্টের এওয়ার্ড লাভ করেন রিমেল বড়–য়া, শাহীন রেজা এবং মাহমুদা নাহার মীম। এছাড়া সফল শিক্ষানবিশ হিসেবে প্রধান অতিথির হাত থেকে সনদ লাভ করেন তাছলিমা আজিজ মৌ, হাবিবুর রহমান, তাহমিনা আক্তার দোলন, ছিদ্দিক হোসেন, রুলিয়া সুলতানা, জেসমিন তালুকদার, সাজেদা ইসলাম স্বপ্না, সালমা আক্তার ঝর্ণা, জসিম উদ্দিন। এরপর ফিল্ড ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপস্থিত বুদ্ধি ও প্রত্যুতপন্নমতিতা এবং গঠনমূলক সমালোচনার জন্য কয়েকটি ছোট্ট কিন্তু বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন মাহমুদা নাহার মীম, জেসমিন তালুকদার। শিক্ষানবিশ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত বার্ষিক ক্যাম্পেইন অর্গানাইজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা ও অবদান রাখার জন্য বেস্ট অর্গানাইজারের পুরস্কার লাভ করেন ক্যাম্পাস’র সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান।
বক্তৃতা পর্ব
সফল শিক্ষানবিশদের এওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদানের পর শুরু হয় বক্তৃতা পর্ব। প্রধান অতিথিসহ সকল বক্তাই ছাত্র-যুবকদের উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে বক্তৃতা করেন এবং ক্যাম্পাস’র এ ব্যতিক্রমী কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মোঃ সোহরাব হোসাইন
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বহুমুখী প্রতিভাদীপ্ত প্রোজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব মোঃ সোহরাব হোসাইন বলেন জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনে ক্যাম্পাস’র বহুমুখী কর্মসূচি এক ব্যতিক্রমী প্রয়াস। শুরুতে এটি অনেকে বুঝতে না পারলেও এখন এর আবেদন ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়া এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তব। তিনি বলেন জ্ঞানভিত্তিক আন্দোলনের অগ্রসেনানী ড. এম হেলাল নিজ আদর্শ বাস্তবায়নে নিবেদিতপ্রাণ, কঠোর পরিশ্রমী। তিনি তার কমিটমেন্ট রক্ষা করে চলেছেন। আলোকিত জাতি গঠনের ক্ষেত্রে তার কর্মপ্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৩০ লক্ষ লোকের আত্মত্যাগ, ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে। ১ কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। মুক্ত স্বাধীন দেশে ফিরে আসার প্রত্যাশায় তারা চরম দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেছে, আশ্রয় শিবিরে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। সেই দেশকে এখন গড়ে তুলবে তরুণ সমাজ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিশাল কর্মযজ্ঞে তাদের ভূমিকা হবে অগ্রগণ্য। প্রধান অতিথি বলেন ক্যাম্পাস এ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-তরুণদের বুদ্ধিদীপ্ত চেহারা দেখে, তাদের বক্তব্য শুনে আশান্বিত হওয়া যায়। ক্যাম্পাস থেকে ছাত্র-তরুণরা যে শিক্ষা গ্রহণ করেছে, তা তাদেরকে জীবন চলার পথের দিকনির্দেশনা দেবে। সমাজ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্যাম্পাস’র ব্যতিক্রমী চিন্তাধারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। ক্যাম্পাস’র কল্যাণ-কর্মসূচিতে দেশপ্রেমী-সমাজসচেতন মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
স্থপতি এমএইচএম শাহজাহান তরু
পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকলোনজি এর চেয়ারম্যান স্থপতি এমএইচএম শাহজাহান তরু বলেন, দেশে-বিদেশে অনেক ভবন বানিয়েছি; শহীদ মিনার নির্মাণ করেছি, পবিত্র ক্বাবা শরীফের অনেক স্থাপনা নির্মাণ করেছি। অনেক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশের টানে ফিরে এসেছি। এখানে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। তিনি বলেন এখানে এসে ক্যাম্পাস কার্যক্রম দেখে অভিভূত হয়েছি। সমাজ পরিবর্তন ও জাতিজাগরণে ক্যাম্পাস অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠনে তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শাহজাহান তরু বলেন খরভব রং ধ ড়হব ধিু লড়ঁৎহবু -এ কথা মনে রেখে নিজ জীবনকে স্বার্থক ও সাফল্যমন্ডিত করে গড়ে তুলতে হবে।
জাকির হোসেন
সরকারের চৌকস যুগ্মসচিব জাকির হোসেন বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সরকারের উচ্চ প্রশাসন অঙ্গনে একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব। তিনি বলেন ভীমরুল ও মৌমাছি দু’টোই হুল ফোটায়, যন্ত্রণা দেয়। কিন্তু ভিমরুলের হুল অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক, সে শুধু যন্ত্রণাই দেয়, অন্যকিছু দেয় না। আর মৌমাছি হুল ফোটালেও সে মধু দেয়, তাই তার যন্ত্রণা সহনীয় হয়। দেশের স্বার্থে আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির প্রশাসনিক কঠোর সিদ্ধান্ত সহনীয় হয় তাঁর মৌমাছিসুলভ আচরণের জন্য। তিনি সবার কাছে গ্রহণীয় ও সম্মানীয় ব্যক্তিত্ব। আমাদেরকেও এমন হতে হবে, খারাপের ক্ষেত্রে কঠোর আর ভালোর ক্ষেত্রে কোমল।
তাজকেরা খায়ের
বিশ্ব পারিবারিক ভালোবাসা আন্দোলনের চেয়ারপার্সন তাজকেরা খায়ের বলেন, ক্যাম্পাস অফিসে প্রবেশদ্বারে লেখা ঊষর মরুর ধূসর বুকে যদি একটি শহড় গড়, একটি মানুষ মানুষ করা তার চেয়েও অনেক বড়। ক্যাম্পাস সে কাজটিই করছে। আমাদের ছাত্র-যুবকদেরকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুগোপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে। ক্যাম্পাস’র এ জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে আমাদের সকলের সহযোগিতা করা উচিত।
এডভোকেট এম জি কিবরিয়া
ক্যাম্পাস’র ফ্রি ইংলিশ কোর্সের রিসোর্স পার্সন এডভোকেট এম জি কিবরিয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন আজ আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে আমাদের মাঝে পেয়ে। ক্যাম্পাস যাদেরকে নিয়ে কাজ করে, সেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন আমাদের মাঝে এসেছেন ছাত্র-তরুণদেরকে উৎসাহ দিতে, তাদেরকে উজ্জীবিত করতে। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ রয়েছেন। এডভোকেট কিবরিয়া বলেন ক্যাম্পাস সার্টিফাইড ছাত্র-তরুণদের কোয়ালিফাইড করে গড়ে তুলছে। এখানে ছাত্র-তরুণদেরকে যুগোপযোগী নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ক্যাম্পাস’র নানা কর্মসূচির অন্যতম হচ্ছে শিক্ষানবিশ কর্মসূচি। এর আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণপর্ব পার হয়ে ছাত্র-তরুণরা গড়ে উঠছে বেস্ট লিডার, বেস্ট কো-লিডার, বেস্ট পার্টিসিপেন্ট হিসেবে। ছাত্রাবস্থায়ই তারা শিক্ষালাভ করছে কর্মজীবনে সফল হওয়ার নানা কৌশল। ক্যাম্পাস এসব কর্মসূচি পরিচালনা করতে কোনো বিদেশি সাহায্য গ্রহণ করে না। দেশের কল্যাণকামী, দেশপ্রেমী, উদার ব্যক্তিত্বদের সহযোগিতায় ক্যাম্পাস এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিদগ্ধজনের কাছ থেকে ক্যাম্পাস লাভ করছে অনুপ্রেরণা। আমি আশা করি, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস’র কল্যাণমুখী কর্মসূচিতে তার উদার সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করবেন।
ড. এম হেলাল
সভাপতির ভাষণে ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং সিএসডিসি’র মহাসচিব ড. এম হেলাল বলেন শিক্ষানবিশ কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র-যুবকদেরকে সৎ, সাহসী ও বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্বরূপে গড়ে তুলছে ক্যাম্পাস। এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষানবিশরা সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অফিস-আদালত পরিদর্শন করে ছাত্রাবস্থায়ই অফিস আচরণ, অফিস ম্যানেজমেন্ট, টিম ওয়ার্ক, রিপোর্ট সাবমিট ইত্যাকার বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পায়। দলনেতা এবং অন্যান্য সদস্যের সামনাসামনি গঠনমূলক সমালোচনা করে আত্মসংশোধন ও আত্মউন্নয়ন ঘটায়। তারা অর্জন করে পরস্পরের প্রতি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ আচরণ ও শেয়ারিং এন্ড কেয়ারিংয়ের মানসিকতা।
ড. এম হেলাল বলেন আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সোহরাব হোসাইন একজন প্রোজ্জ্বল প্রতিভা; শিক্ষা যাঁর রক্ত-মাংসে-অস্থিমজ্জায়; দেশের শিক্ষার উন্নয়নে যিনি নিরলস কাজ করে চলেছেন; বহুমুখী প্রতিভাদীপ্ত কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে যিনি সমাজ প্রগতিতে অবারিত অবদান রেখে চলেছেন। এই সুমহান মর্যাদার ব্যক্তিত্ব ক্যাম্পাস’র ডায়নামিক কর্মসূচি পরিচালনায় বিশেষত ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর উদার সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করবেন বলে আশা করি।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ