বিশেষ খবর



Upcoming Event

ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর ১৫তম ব্যাচ উদ্বোধন

ক্যাম্পাস ডেস্ক প্রচ্ছদ প্রতিবেদন
img

ক্যাম্পাস পরিচালিত ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ এর ১৫তম ব্যাচের উদ্বোধন হয় ২০ অক্টোবর। ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বপ্নচারী সফল যুব-উদ্যোক্তা, ক্যাপিটাল মার্কেটের উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, এলায়েন্স ক্যাপিটাল এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও খন্দকার আসাদুল ইসলাম।
ক্যাম্পাস স্যোসাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (CSDC) এর মহাসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এম হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব পারিবারিক ভালোবাসা আন্দোলনের চেয়ারপার্সন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশ্বব্যাংক বিষয়ক কনসালটেন্ট তাজকেরা খায়ের; সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন কমিটির সদস্য, বিআইডিএস’র সিনিয়র রিসাচ্ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ; ইংলিশ কোর্সের রিসোর্স পার্সন এম জি কিবরিয়া; কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা ও ছড়াকার মোহাম্মদ মোস্তফা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশিত হয় জাতি-জাগানিয়া ক্যাম্পাস থিম সং এবং মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে দেখানো হয় ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণ প্রকল্পের রূপরেখা নিয়ে তৈরি ডক্যুমেন্টারি।
এরপর প্রধান অতিথি খন্দকার আসাদুল ইসলামকে ইতিপূর্বে ক্যাম্পাস অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের স্মৃতিবহ ঘটনার স্মারক দু’টি বাঁধানো ফটো-ফ্রেম উপহার দেয়া হয়। উপহার অর্পণ করেন সিএসডিসি’র মহাসচিব এম হেলাল। ফ্রি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্সের রিসোর্স পার্সন এম জি কিবরিয়াকে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি খন্দকার আসাদুল ইসলাম। উপহার পর্ব শেষে শুরু হয় বক্তৃতাপর্ব।
ক্যাম্পাস কর্মসূচির লক্ষ্য হলো ব্যক্তি-মানসের পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজ ও দেশের পরিবর্তন -খন্দকার আসাদুল ইসলাম
সদা হাস্যময়, তারুণ্যদীপ্ত সফল উদ্যোক্তা খন্দকার আসাদুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, Campus is my second home. এর আগে একবার ক্যাম্পাস এ এসে গভীর তৃপ্তিবোধ করেছি, ক্যাম্পাস’র আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছি। ক্যাম্পাস মানুষের চিন্তার পরিবর্তন ঘটায়, ছাত্র-যুবকদের সহজে আকর্ষণ করে, আপন করে নেয়। ক্যাম্পাস কর্মসূচির লক্ষ্য হলো ব্যক্তি-মানসের পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজ ও দেশের পরিবর্তন। এভাবে তারা গড়ে তুলছে জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি।
ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেকে পরিবর্তন করতে এখনি কার্যক্রম শুরু করতে হবে। You have to go long way. লক্ষ্য অর্জনে Determination থাকতে হবে, তার জন্য দরকার Competency বা যোগ্যতা, Adaptability & Relavency. তিনি বলেন, Cultural adaptability অত্যন্ত প্রয়োজন। জীবনে পরিপূর্ণ সফলতা অর্জন করতে হলে আপনাদেরকে হতে হবে Confident. তিনি বলেন- ভালো লাগার স্থান ক্যাম্পাস, বড় স্বপ্ন দেখার স্থান ক্যাম্পাস। আপনারা সৌভাগ্যবান, ক্যাম্পাস’র মতো একটি ডায়নামিক সংগঠনের সাথে এ তরুণ বয়সে যুক্ত হতে পেরেছেন। নিজেকে উদ্ভাবন করুন নিজের জন্য, সমাজের জন্য এবং জাতির জন্য; কেননা আপনারাই হবেন ভবিষ্যৎ লিডার। ফ্রি ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ একটি Energy, যা আপনাদের শক্তি যোগাবে, সাহস যোগাবে আগামীর পথে।
আশাবাদী উদ্যোক্তা খন্দকার আসাদুল ইসলাম আরও বলেন কর্মযোগী ও দূরদর্শী সমাজ সংস্কারক এম হেলালের মতো একশ’ জন নিবেদিতপ্রাণ উদ্যোক্তা থাকলে এতদিনে পুরো দেশের চেহারা পাল্টে যেত, দেশ উন্নয়ন-সড়কে তীব্র গতিতে এগিয়ে যেত। তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাস নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশোন্নয়নে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এ জন্যই ক্যাম্পাসকে সহযোগিতা করা নৈতিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। তাই ক্যাম্পাস’র স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণে আপাতত ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা করছি।
তাজকেরা খায়ের
বিশ্ব পারিবারিক ভালোবাসা আন্দোলনের চেয়ারপার্সন, সমাজচিন্তক তাজকেরা খায়ের বলেন- ক্যাম্পাস’র আহ্বানে সবসময় ছুটে আসি। এই একটি স্থানে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, নিজেকে Homely মনে হয়। এখানে এসে নিত্যনতুন অনেক কিছু জানা যায়, শেখা যায়। তিনি বলেন, ক্যাম্পাস ছাত্র-তরুণদের মধ্যে জাগিয়ে দিচ্ছে Strong belief & Expectation. এ কর্মধারা একদিন দেশ ছাড়িয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। ক্যাম্পাস এ এসে মানুষ আলোর সন্ধান পায়; ছাত্র-তরুণরাও তা পাবে।
ড. নাজনীন আহমেদ
ক্যাম্পাস’র অনারারি রিসার্চ ডিরেক্টর, অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন- ক্যাম্পাস তার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে প্রসারের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সেন্টারটি হবে জাতির প্রাণ-প্রবাহের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান; যেখানে আত্মবিশ্বাসী, প্রোএকটিভ ও পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে নিবিড় অধ্যয়ন এবং বহুমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সমসাময়িক বিষয়াবলির ওপর গুরুত্ব দিয়ে গতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হবে এ স্টাডি সেন্টারের কর্মযজ্ঞ। দেশের হৃদয়বান মানুষদের আন্তরিক সহযোগিতায় এই স্বপ্নের ভবনের বাস্তব রূপ খুব দ্রুতই হবে বলে আমরা আশা করি।
ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে ড. নাজনীন বলেন- আপনারা শুধু Englsih Speaking নয়, ইংলিশে স্বপ্ন দেখুন; এখানে যা শিখেছেন, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তাকে উজ্জীবিত রাখুন। আপনাদের জীবনে যদি ভিশন থাকে, তাহলে স্বপ্ন অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে।
এম জি কিবরিয়া
ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স এর রিসোর্স পার্সন, ব্যতিক্রমী ধারার প্রশিক্ষক এম জি কিবরিয়া বলেন, ক্যাম্পাস’র এই ইংলিশ কোর্স শুরু করেছিলাম মাত্র ১৮ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে। এখন প্রতিটি ব্যাচ শুরু হয় ৬০/৭০ জন ছাত্র-ছাত্রী দিয়ে। ক্যাম্পাস পরশ পাথর, যা স্পর্শ করে তা সোনা হয়ে যায়। ক্যাম্পাস এ এসে প্রফেশনালিজম শিখেছি। এখানে একজন কিশোর এবং একজন বুড়ো খোকাও কাজ করতে পারেন স্বচ্ছন্দে; ক্যাম্পাস’র অনন্য সাধারণ পরিবেশের কারণে এবং সৃজনশীল ও প্রতিভাবান নেতৃত্বের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। ক্যাম্পাস অফিসে এসে উজ্জীবিত হই; ক্যাম্পাস শিক্ষা দেয় Positive Thought, যার ওপর ভিত্তি করে নিজেকে পরিচালিত করা যায়। জীবনে অগ্রগতি ও পরিপূর্ণতা লাভ করতে হলে ক্যাম্পাস’র পথেই থাকতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে বলতে চাই, ক্যাম্পাস এ ছিলাম, ক্যাম্পাস এ আছি এবং ক্যাম্পাস এ থাকব। আশা করি আজকের সম্মানিত প্রধান অতিথি ক্যাম্পাস’র সাথে থাকবেন, ক্যাম্পাসকে এগিয়ে নেয়ার কর্মযজ্ঞে আন্তরিক ও গতিশীল ভূমিকা রাখবেন।
এম হেলাল
সভাপতির ভাষণে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক এবং সিএসডিসি’র মহাসচিব এম হেলাল বলেন প্রধান অতিথি খন্দকার আসাদুল ইসলাম একজন দক্ষ উদ্যোক্তা, ব্যবসা জগতের উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। তিনি কর্মজীবনে কোয়ালিটি টাইম মেইনটেইন করে এসেছেন, তিনি স্থির নিশ্চিত ছিলেন যে, The most important time is now.
এম হেলাল বলেন, ক্যাম্পাস পত্রিকার বর্তমান অফিস ক্রয়ের সময় উদারপ্রাণ মানুষদের ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট পেয়েছি। বর্তমানে ক্যাম্পাস স্টাডি সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। Determination এর মাধ্যমে ক্যাম্পাস’র এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। স্টাডি সেন্টার হতেই হবে, ক্যাম্পাস’র এ স্বপ্নের সাথে রয়েছে বাস্তবের অনুষঙ্গ।
প্রধান অতিথির কথা উল্লেখ করে এম হেলাল বলেন, তিনি একজন সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষ। যার হাসি আছে, তার সব আছে। হাসি দিয়ে বিশ্বও জয় করা যায়। আমরাও সৃষ্টি করব হাসিমাখা ভুবন। ২০২০ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলবই তুলব। সে কর্মযজ্ঞে আহ্বান জানাই উদারপ্রাণ, মানবদরদী, দেশপ্রেমী সবাইকে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ